![]()


জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, সিলেট জেলা আমীর ও সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেছেন, আজ (৬ ফেব্রুয়ারি) জুম্মার এই বরকতময় মুহূর্তে আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আমার বুকটা গর্বে ভরে যাচ্ছে। আপনারা বিগত সময়ে আমাদের পাশে থেকে সবসময় সহযোগিতা করেছেন। আগামীতে আপনাদের সহযোগিতার জন্য আজ আপনাদের কাছে এসেছি। রাজনীতির মাঠ অনেক বড় হতে পারে, কিন্তু আমার পৃথিবীটা ছোট- সেটি হলো এই এলাকা আর আপনারা। আপনারা অনেক তো দেখলেন! বারবার প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি শুনেছেন, কিন্তু কাজের কাজ কতটুকু হয়েছে? আমরা এমন এক সময় পার করছি যেখানে সাধারণ মানুষের কথা শোনার কেউ নেই। আমি আপনাদের বলতে চাই, আমি আপনাদের কোনো লম্বা প্রতিশ্রুতি দিতে আসিনি, আমি এসেছি আপনাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে।
শুক্রবার বাদ জুম্মা নগরীর লামাপাড়া, সাঁদারপাড়া, উপশহর এলাকায় দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে গণসংযোগকালে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। জুম্মার নামাজ শেষে স্থানীয় লামাপাড়া জামে মসজিদ থেকে শুরু হওয়া এই গণসংযোগে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, দাঁড়িপাল্লা কেবল একটি নির্বাচনী প্রতীক নয়; এটি হলো ন্যায়বিচার, সততা এবং সাম্যের প্রতীক। পাল্লার দুটি দিক যেমন সমান থাকে, আমি কথা দিচ্ছি- আমার চোখে ধনী-দরিদ্র, চেনা-অচেনা কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। প্রত্যেকের অধিকার আমি কড়ায়-গণ্ডায় বুঝিয়ে দেব, ইনশাআল্লাহ। নির্বাচনে কোনো ভয়-ভীতি বা প্রলোভনে পা দেবেন না। আপনার একটি ভোটই পারে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে। তাই দলে দলে ভোটকেন্দ্রে যান এবং দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় বাসিন্দা মুজিবুর রহমান রানা, কয়েস বখত, মজনু মিয়া, সাজন মিয়া, বশির আহমেদ, হামিদ বক্স মুহিন, মহসিন উদ্দিন আহমেদ, দেলোয়ায় হোসেন রনি, উমেদ খান প্রমুখ।
এর আগে তিনি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কদমতলী এলাকায় দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে গণসংযোগ করেন। তার আগে তিনি সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন।
ছবির ক্যাপশন- নগরীর লামাপাড়া এলাকায় গণসংযোগ করছেন সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান।-বিজ্ঞপ্তি